কিছু পড়ে দেখুন

আবদুল কাদির জিলানি

লেখক:

অনুবাদক:

আবদুল্লাহ তালহা

সম্পাদক:

সালমান মোহাম্মদ

প্রকাশক:

কালান্তর প্রকাশনী

পৃষ্ঠাসংখ্যা:

১৪৮

প্রচ্ছদ:

সানজিদা সিদ্দিকী কথা

কোয়ালিটি:

হার্ডবোর্ড বাঁধাই

প্রকাশকাল:

একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০

ভাষা:

বাংলা

দেশ:

বাংলাদেশ

রেটিং:
(1 customer review)

৳ 150

ইসলামের ইতিহাস যেসব ব্যক্তির জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়েছে শায়খ আবদুল কাদির জিলানি তাঁদের অন্যতম। শায়খ জিলানি ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন ইসলামের প্রতি আহ্বান, সমাজ থেকে শিরক-বিদআত দূরীকরণ, দীনি শিক্ষার প্রসার ও উম্মাহকে জিহাদের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণে তাঁর আকর্ষণীয় পদ্ধতির কারণে। তাঁর ইসলামি বক্তব্যে হাজার হাজার মানুষ পাপ ও অন্যায় কাজ থেকে তাওবা করত; ইসলাম পালন ও টিকিয়ে রাখার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ত। আব্বাসি খিলাফতের সেই সময়টায় তাঁর এই কর্মযজ্ঞ বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। অনেকেই তাঁকে অনুসরণ করে দীনি দাওয়াত ও ব্যক্তিপরিশুদ্ধির কাজ করতে থাকে। তাঁর কাজ ও পদ্ধতির অনুসরণই একটা সময় ‘কাদিরিয়া তরিকা’ নামে প্রসিদ্ধি পায়।

ভারত উপমহাদেশে যাঁরা ইসলাম প্রচারে কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেই শায়খ আবদুল কাদির জিলানির পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন। ফলে উপমহাদেশে তিনি বড়পির হিসেবে সুপরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর প্রতি অতি শ্রদ্ধা েথকে মানুষের মুখে মুখে জন্ম িনয়েছে নানা কল্পকাহিনি। তৈরি হয়েছে তাঁর বানোয়াট জীবনকথা। বিশ্বখ্যাত ইতিহাসবিদ ড. শায়খ আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি বিষয়টি লক্ষ করে রচনা করেছেন তাঁর বিশুদ্ধ জীবনচরিত। তথ্য ও বিশুদ্ধ বর্ণনার আলোকে তুলে ধরেছেন একজন সত্যিকার দায়ির কর্ম ও জীবনের উদ্দেশ্য।

আমাদের দেশের সর্বসাধারণের মাঝে শায়খ আবদুল কাদির জিলানিকে নিয়ে যেসব মনগড়া কল্পকাহিনি প্রচলিত আছে; শায়খকে নিয়ে যেসব শিরক-বিদআতের ব্যবসা রমরমা হয়ে আছে, সে-সবের অসারতা ও বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পাঠককে পথ দেখাবে শায়খ আবদুল কাদির জিলানির এই জীবনীগ্রন্থ। সত্য ইতিহাসের বইতালিকায় এই গ্রন্থ সমৃদ্ধির ইট হিসেবে যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

লেখক:

অনুবাদক:

আবদুল্লাহ তালহা

সম্পাদক:

সালমান মোহাম্মদ

প্রকাশক:

কালান্তর প্রকাশনী

পৃষ্ঠাসংখ্যা:

১৪৮

প্রচ্ছদ:

সানজিদা সিদ্দিকী কথা

কোয়ালিটি:

হার্ডবোর্ড বাঁধাই

প্রকাশকাল:

একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০

ভাষা:

বাংলা

দেশ:

বাংলাদেশ

রেটিং:
(1 customer review)

1 review for আবদুল কাদির জিলানি

  1. Mohammad Rakibul Islam

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা
    শায়খ আবদুল কাদির জিলানি (রহ)।ইসলামের আকাশে প্রজ্জলিত এক তারাকাসদৃশ মনীষীর নাম।শায়খের নাম জানেনা এরকম মানুষ বাংলার জমিনে নেই।বাংলায় যার পরিচিতি বড়পীর নামে।তার নামে সমাজে প্রচলিত রয়েছে আজগুবি, বানোয়াটি কিছু কথা।তন্মধ্যে কিছু বক্তব্য এমন রয়েছে যেগুলো আপনার ঈমান ধ্বংসের জন্য যথেষ্ঠ।ইউটিউবে যদি আপনি আবদুল কাদির জিলানি কারামত লিখে সার্চ দেন তাহলে আপনার স্ক্রিনজুড়ে ভেসে উঠবে হাজারো বানোয়াটি কিচ্ছা যেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।বাজারে পাওয়া যাই তার জীননি নিয়ে রচিত এমন সব বই যেখানে তার সম্পর্কে বিদ্যমান রয়েছে হাজারো ঈমান বিধ্বংসী তথ্যাবলি।সেইসব বাজারি বইয়ের ভীড়ে শায়খের জীবনে সম্পর্কে জানার জন্য সহিহ কোনো বই পাওয়া বড় দায়।বাংলায় মনীষীদের সহিহ জীবনী নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে তন্মধ্যে কালান্তর প্রকাশনী অন্যতম।শায়খ আবদুল কাদির জিলানি (রহ) জীবনি নিয়ে ডা.আলি মুুহাম্মদ সাল্লাবীর রচিত কিতাবটিকে বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য অনুবাদ করে প্রকাশ করে কালান্তর।শায়খের জীবনি নিয়ে আমার আগে থেকেই৷ পড়ার ইচ্ছে ছিলো। তাই বইটিও নিয়েও নিলাম।আর বইটির উপস্থাপনা সম্পর্কে কিছু বলার নেই।ডা.আলি মুহাম্মদ সাল্লাবী সবার মাঝে পরিচিত তার ইতিহাসকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবরণ দিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য।আর তার গতানুগতিক সেই ধারা থেকে বাদ পড়েনি এই গ্রন্থটিও।খুবই সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে শাায়খের জীবনিকে।
    আমমাাদের সমাজে শায়খকে নিয়ে এক ধরনের ভাবনা কাজ করে যে শায়খের দীনদারিত্ব শুধু কারামতের মধ্যে সীমাবদ্ধ।হ্যা অবশ্যই তার অসংখ কারামত ছিলো যে ব্যাপারে বলেছেন ইমাম ইজ্জুদ্দিন আবদিস সালাম (রহঃ) ও ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ)।কিন্তু আমাদের সমাজে কেউ তার শানে কথা বলতে গিয়ে বলেনা যে তার গুণাবলি এমন ছিলো বা তিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি বলে উঠতেন৷ সবাই তার কারামত বর্ননা করে তার দীনদারিত্বকে প্রমাণ করতে চাই। যার মধ্যে হাজারো৷ কথা কারামতের নামে এমন থাকে যেগুলো বিশ্বাস করলে সে আর যাই হোক মুমিন থাকতে পারেনা।
    আর তার সেই গুণাবালি সম্পর্কে জেনে তা আমাদের জীবনে বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিয়েছে কালান্তর।কালান্তরের এই গ্রন্থটিতে রয়েছে শায়খের ছোট থেকে শায়খ আবদুল কাদির৷ জিলানি হয়ে উঠার ইতিহাস।রয়েছে জ্ঞান অর্জনের জন্য তার দেওয়া ত্যাগের কথা।রয়েেছে শাসকের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদের কথা।এছাড়া তার শিক্ষাজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত রয়েছে।তার কিছু শিক্ষকদেরও বর্ণনা এই বইটিতে বিদ্যমান রয়েছে।
    কেন এই বইটি পড়বেনঃ
    ১)এতে কোনো অতিরঞ্জিত কথাবার্তা কিংবা ভিত্তিহীন বর্ণনা ঠাঁই পাইনি
    ২)খুবই সাবলীলভাবে এই গ্রন্থটি উপস্থাপন করা হয়েছে
    ৩)শায়খের বিশুদ্ধ জীবন জেনে তার নামে প্রচলিত ভ্রান্ত বর্ণনা থেকে বাঁচতে

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *