তুরস্কের পথে পথে
ইউরোপ ও এশিয়ার মোহনায় অবস্থিত উসমানি খলিফাদের স্মৃতিবিজড়িত ভূখণ্ড তুরস্ক। ইসলামের ইতিহাসে কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের রোমাঞ্চকর বীরত্বগাথা এবং সুলতান মুহাম্মাদ আল ফাতিহ, সুলতান সুলায়মান কানুনি ও উসমান গাজির ইমানি উদ্দীপনা আজও প্রতিটি মুসলিম হৃদয়ে এক ভিন্ন আবেগের সঞ্চার করে। ‘হাইআতু উলামা ফিলিস্তিন’-এর বিশেষ আমন্ত্রণে আট দিনের সংক্ষিপ্ত তুরস্ক সফরে লেখক মুফতি রেজাউল কারীম আবরার প্রত্যক্ষ করেছেন ইসতাম্বুল ও বুরসার অলিগলি। লেখক তাঁর এই সফরে অনুভব করেছেন উসমানি ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, দেখেছেন আধুনিক তুরস্কের ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্জাগরণ এবং পেয়েছেন বিশ্ববরেণ্য মুহাদ্দিস শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামার সান্নিধ্য। একই সঙ্গে এতে উঠে এসেছে অবরুদ্ধ গাজার কান্না, ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রাম এবং উম্মাহর ক্রান্তিলগ্নে আমাদের দায়বদ্ধতার কথা। তুরস্কের পথে পথে বইটি পাঠককে কেবল তুরস্কের ভৌগোলিক সৌন্দর্যে ডুবিয়ে রাখবে না; বরং উসমানিদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে ফিরিয়ে নিয়ে পাঠকহৃদয়ে এক নতুন চেতনা ও রোমাঞ্চ জাগিয়ে তুলবে।
ইমাম বুখারির দেশে
১৯২৪ থেকে ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত উজবেকিস্তান ছিল কমিউনিস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে। এ সময় মুসলিমদের পক্ষে দীনের প্রচার তো দূরের কথা,
আকিদা ও সুন্নাহ
উম্মাহর মধ্যে বর্তমানে আকিদা ও সুন্নাহকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা অনেক বেশি। আকিদার নামে সাধারণ মুসলিমদের এমন সূক্ষ্ম আলোচনার দিকে ধাবিত
উম্মাহর প্রতি আহ্বান
উসমানি খিলাফতের পতনের পর থেকে মুসলমানরা পৃথিবীতে একতরফা মার খেয়ে যাচ্ছে। পবিত্র ভূমি বায়তুল মাকদিস অভিশপ্ত ইয়াহুদিরা ৯০ বছর থেকে
দাজ্জাল : ফিতনা ও পর্যালোচনা
আমাদের রাসুল সাঃ শেষ নবি। তাঁর উম্মতের মাধ্যমে পৃথিবী সমাপ্তির প্রান্তরে নোঙর করবে। তাঁর উম্মতের ওপর দিয়েই বয়ে যাবে কিয়ামতের
বারো মাসের করণীয় বর্জনীয়
মানুষের কাজের সুবিধার্থে আল্লাহ সময়কে দুভাগে ভাগ করেছেন। সময়ের একটি অংশকে আমরা দিন; আরেক অংশকে বলি রাত। দিন-রাতের আবর্তে ৭