কিছু পড়ে দেখুন

হুসাইন ইবনু আলি রা.

লেখক:

অনুবাদক:

আতাউল কারীম মাকসুদ

সম্পাদক:

সালমান মোহাম্মদ

পৃষ্ঠাসংখ্যা:

১৬০

প্রচ্ছদ:

আবুল ফাতাহ মুন্না

কোয়ালিটি:

হার্ডবোর্ড বাঁধাই

প্রকাশকাল:

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ভাষা:

বাংলা

দেশ:

বাংলাদেশ

রেটিং:
(1 customer review)

৳ 150

হুসাইন রা.। ভালোবাসার তাজমহল। শ্রদ্ধার রাজপুত্র। নাম শুনলেই অন্তরে ভালোবাসার জোয়ার ওঠে। সাইয়িদুল ইনসি ওয়াল জান নবি মুহাম্মাদ সা.-এর দৌহিত্র। জান্নাতি মহিলাগণের সরদার মা ফাতিমা রা.-এর কলিজার টুকরো সন্তান।
মদিনায় জন্ম। মদিনায় বেড়ে ওঠা। রাসুল সা.-এর আদর-সোহাগে শৈশব কাটানো জান্নাতি যুবকদের সরদার। কারবালায় মৃত্যু।
কারবালা! কারবালা শুনলেই বেদনাহত হৃদয় আরও বেদনাবিধুর হয়ে পড়ে। মর্মান্তিক দৃশ্য ভেসে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। কারবালার আলোচনা শুনলে অশ্রু আপনাতেই গড়িয়ে পড়ে।
সোনার মদিনা থেকে কারবালার দূরত্ব প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। পরিবার-পরিজন নিয়ে উটের পিঠে সওয়ার হয়ে তিনি এ দীর্ঘ কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছিলেন। মরুভূমির বালুসাগর পাড়ি দিয়ে কেন গিয়েছিলেন কারবালায়? মদিনায় কি তাঁর কোনো কিছুর অভাব ছিল? নানাজানের রওজায়ে আকদাস ছেড়ে কারবালায় কেন গিয়েছিলেন? গিয়েছিলেন জালিম শাসকের কবল থেকে উম্মাহকে উদ্ধারের জন্য, নানাজানের প্রিয় দীনের হিফাজতের জন্য, খিলাফত রক্ষার জন্য। দুনিয়াবি পরিণাম-পরিণতির পরোয়া না করে শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শ উপেক্ষা করে তিনি প্রিয় মদিনা থেকে সুদূর কুফার উদ্দেশে রওনা হন।
তারপরের কাহিনি কী ছিল, কেমন ছিল জানতে হলে পড়ুন হালজামানার বিশ্বখ্যাত ইতিহাসবিদ ও ফকিহ ড. শায়খ আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি লিখিত এ গ্রন্থ।

লেখক:

অনুবাদক:

আতাউল কারীম মাকসুদ

সম্পাদক:

সালমান মোহাম্মদ

পৃষ্ঠাসংখ্যা:

১৬০

প্রচ্ছদ:

আবুল ফাতাহ মুন্না

কোয়ালিটি:

হার্ডবোর্ড বাঁধাই

প্রকাশকাল:

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ভাষা:

বাংলা

দেশ:

বাংলাদেশ

রেটিং:
(1 customer review)

1 review for হুসাইন ইবনু আলি রা.

  1. মো : ফয়সাল আহমেদ

    হুসাইন (রা.)।
    ভালোবাসার তাজমহল। শ্রদ্ধার রাজপুত্র। নাম শুনলেই অন্তরে ভালোবাসার জোয়ার ওঠে। সাইয়িদুল ইনসি ওয়াল জান নবি মুহাম্মাদ (সা.) এর দৌহিত্র। জান্নাতি মহিলাগণের সর্দার মা ফাতিমা (রা.) এর কলিজার টুকরো সন্তান।

    ইসলামের এজন্য তিনি শহিদ হয়েছেন করবালার প্রান্তরে। মর্মান্তিক সে দৃশ্য। জালিম শাসকের কবল থেকে উম্মাহকে উদ্ধার করতে ছুটে গিয়েছিলেন প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে। লক্ষ্য শুধু একটিই, প্রিয় নানার আনিত দীনের হেফাজত ও খিলা ফত রক্ষা করা। কিন্তু কুফাবাসীর ওয়াদা ভঙ্গ, সেখানকার গভর্নরের উদ্যতপূর্ণ আচরণ ও ইয়াজিদ ইবনু মুয়াবিয়ার নিষ্ক্রয় অবস্থানের কারনে তিনি সেদিন হয়ে যান জান্নাতের সবুজ পাখি।

    আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু কথা আছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেগুলো মূলত শিয়া সম্প্রদায় ও বিষাদসিন্ধু থেকে আগত। শিয়াদের বিশ্বাস হলো খ্রিষ্টানদের মতো। খ্রিষ্টানরা যেমন ঈসা (আ.) এর প্রাণবিসর্জনকে পবিত্র মনে করে, তেমনি শিয়ারাও হুসাইন (রা.) এর শহিদ হওয়াকে পবিত্র মনে করে। এই ঘনার আগ পর্যন্ত তারা একটি রাজনৈতিক দল হিসেবেই ছিল, পরবর্তীতে এটি তাদের আকিদা-বিশ্বাসে রূপ নেয়।

    বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে মূলত শিয়াদের প্রচার করা মতবাদ ও শহিদ হওয়ার সময়ের ঘটনাবলিই বলা হয়, যার কোন ঐতিহাসিক সত্যতা নেই। আর বিষাদসিন্ধু নামক উপন্যাস দ্বারাও বর্তমানের মুসলিম তরুন-তরুণীরা প্রভাবিত। এর প্রধান করান, কলেজ পর্যায়ের বাংলা বইয়ে একটি গল্প আছে বিষাদসিন্ধু অবলম্বনে। আমাদের এসব থেকে সাবধান হতে হবে।

    বইটিতে হুসাইন (রা.) এর শাহাদতের প্রেক্ষাপট ও পরবর্তী ঘটনাবলী এবং তাঁর ফজিলত সম্পর্কিত হাদিস আলোচিত হয়েছে। সমাজে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারনা থেকে পাঠক উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *